জুলাই 2019

উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা ২০১৯-এর ফলের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেন।

এতে দেখা গেছে, এ বছর উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। মোট পাস করেছে ১৩ লাখ ৬৬ হাজার ৬২৯ জন। সারা দেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭ হাজার ৫৮৬ শিক্ষার্থী। সাধারণ ৮ বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই হাজার ২৪৩ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৬২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ২৩৬ জন।

দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন মন্ত্রী। বেলা ১টা থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট থেকে ফল জানা যাবে। শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ইন্টারনেট বা মোবাইলের মাধ্যমে ওয়েবসাইট থেকে তাদের ফল জানতে পারবে।

বরাবরের মতোই এবারও যেকোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd এ রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল ডাউনলোড করা যাবে। এ ছাড়া (http://www.educationboard.gov.bd) থেকে ফল জানতে পারবেন।

সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ই-মেইলে কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট শিট (সফট কপি) পাওয়া যাবে।

মোবাইলে যেভাবে মিলবে ফল: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd এ রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল ডাউনলোড করা যাবে। (http://www. educationboard.gov.bd) থেকে ফল জানতে পারবেন। বরাবরের মতোই যেকোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ই-মেইলে কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট শিট (সফট কপি) পাওয়া যাবে।

পরীক্ষার্থীদের তালিকা অনুযায়ী, এ বছর ৯ হাজার ৮১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৬ ছাত্র ও ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৯ ছাত্রী।

এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ১ এপ্রিল। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।

এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৮ হাজার ৪৫১ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এক লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন। মোট কেন্দ্র সংখ্যা দুই হাজার ৫৮০টি। পরীক্ষা শেষ হয় ১২ মে। আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা।

উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা ২০১৯-এর ফলের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেন।





এতে দেখা গেছে, এ বছর উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। মোট পাস করেছে ১৩ লাখ ৬৬ হাজার ৬২৯ জন। সারা দেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭ হাজার ৫৮৬ শিক্ষার্থী।

সাধারণ ৮ বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই হাজার ২৪৩ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৬২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ২৩৬ জন।



দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন মন্ত্রী। বেলা ১টা থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট থেকে ফল জানা যাবে।

শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ইন্টারনেট বা মোবাইলের মাধ্যমে ওয়েবসাইট থেকে তাদের ফল জানতে পারবে।

বরাবরের মতোই এবারও যেকোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd এ রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল ডাউনলোড করা যাবে।

এ ছাড়া (http://www.educationboard.gov.bd) থেকে ফল জানতে পারবেন।

সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ই-মেইলে কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট শিট (সফট কপি) পাওয়া যাবে।

মোবাইলে যেভাবে মিলবে ফল

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd এ রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল ডাউনলোড করা যাবে।

(http://www. educationboard.gov.bd) থেকে ফল জানতে পারবেন। বরাবরের মতোই যেকোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ই-মেইলে কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট শিট (সফট কপি) পাওয়া যাবে।

পরীক্ষার্থীদের তালিকা অনুযায়ী, এ বছর ৯ হাজার ৮১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৬ ছাত্র ও ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৯ ছাত্রী।

এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ১ এপ্রিল। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।

এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৮ হাজার ৪৫১ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এক লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন। মোট কেন্দ্র সংখ্যা দুই হাজার ৫৮০টি। পরীক্ষা শেষ হয় ১২ মে। আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা।

কল্পনা বাড়ি থেকে বেড়িয়ে হাঁটতে শুধু করে। তখনই এক রিকশাওয়ালা কে দেখে ডাকল সে। দাদা যাবেন। হ্যাঁ চলুন। কোথায় যাবেন? এই আর.এন. গালর্স স্কুলটায়। আচ্ছা আপনি ওখানে ম্যাডাম? হ্যাঁ। ওই স্কুলে আমার মেয়েও পড়ে। আচ্ছা, কি নাম? দীপা দাস। আচ্ছা, কোন ক্লাস? ক্লাস সেভেন ম্যাডাম।

দীপা তো পড়াশোনায় বেশ মনযোগী। হ্যাঁ ম্যাডাম ও বড়ো হয়ে কিছু হতে চায় তবে আমাদের এই পরিবেশের জন্য ওকে সেই ভাবে কিছুই দিতে পারিনি। আপনি একটু দেখবেন ওকে। হুম। এই যে স্কুল এসে গেছে ম্যাডাম। হ্যাঁ, ধন্যবাদ। এই যে ভাড়া টা নিন। না ম্যাডাম আজ দীপার জন্মদিন আপনি টাকাটা রেখে দিন বরং ওকে আর্শীবাদ করুন যেন বড়ো হয়ে ভালো মানুষ হয়।

 

হাজারো আলোর ঝলকানিতেও পৃথিবীটা আঁধারে ঢাকা ;
যেমন করে বাতির নিচেই ভরে থাকে ঘোর কালো আঁধারে।

লাখো কোটি মসজিদ মন্দির গীর্জায় আজ পৃথিবী
ঢাকা ;
যেমন সারিসারি পাইন গাছ দাড়িয়ে থাকে মাথাটা উঁচু করে।

কখনো কবর কখনো চিতা থেকে উঠে আসে জ্বলন্ত দীর্ঘশ্বাস ;
যেমন করে কেঁচো উঠে আসে নরম পঁচা মাটি ভেদ করে।

মশা মাছির মতো করেই আজকে বংশবৃদ্ধি করছে সন্ত্রাস ;
আর ক্ষুদ্ররা নিজের স্থান করে নিচ্ছে চিতাতে কিম্বা কবরে।

ধর্মগ্রন্থগুলো আজ সুন্দর সুশৃঙ্খল পরিপাটি মলাটে আবদ্ধ ;
যেমন পাথরের ভিতরটা সাজানো থাকে শস্য দানার
মতো করে।

ধর্মগ্রন্থগুলোর শান্তির বাণীকে আজ ভুলতে বসেছে ধর্মান্ধ ;
এই ধর্মান্ধরা আজ যেনো এক বিষ ফোঁড়া পৃথিবীর কোল জুড়ে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: খাগড়াছড়ি কেন্দ্রীয় শাহী জামে মসজিদের খতিব এবং খাগড়াছড়ি গাউসিয়া তৈয়্যবিয়া জামে মসজিদের খতিব মহোদয় এবার হজ্জ্বে যাচ্ছেন।

শুক্রবার ৫ই জুন বাদে জুম'আ খাগড়াছড়ি জেলার মাস্টার পাড়া এলাকায় জনাব এস.এম সফি সাহেবের নিজস্ব বাসভবনে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলার কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব মুফতি আব্দুন্নবী হক্কানী (মু.জি.আ) এবং গাউসিয়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক (মু.জি.আ) এবার পবিত্র হজ্ব পালনে যাচ্ছেন, উনাদের জেলা আহলে সুন্নাত ওলামা কমিটির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। এসময় জেলা আহলে সুন্নাত ওলামা কমিটির সিনিয়র আলেম উলামাগণ উপস্হিত ছিলেন।

এদিকে দীর্ঘদিন অসুস্হা থেকে সুস্হতা লাভ করায় জনাব এস.এম সফি সাহেব মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় স্বরুপ খতমে কোরআন, খতমে মাজমুয়ায়ে সালাওয়াতে রাসুল(ﷺ)এর আয়োজন করে, পরিশেষে মিলাদ,কিয়াম, দো'আর মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

এখন আমি ঘুমাতে পারিনা সত্যি আগের মতো ঘুম আসেনা
ঘুমোতে গেলে চোখে ভাসে বিভৎস আর্তনাদ আর কান্না
ওই অসহায়ের আর্তনাদ যে আমি কিছুতেই ভুলতে পারি না ।

এসমাজে এখন আর পথ চলা যায়না বিশ্বাস করুন সত্যি যায়না
পথে নামলে সারিসারি লাশ পায়ের নিচে পা ফেলা যায়না
এতো লাশ ডিঙিয়ে পা দুটো আর সামনেও এগুতে চায়না ।

এসমাজে এখন আর মানুষে;মানুষে ভাতৃত্বের দেখা মেলেনা
মানুষের সমাজে আজ মানুষের মুখোশেই বাস করে হায়েনা
কে কখন কাকে ছিঁড়ে খাবে একথা ঘুণাক্ষরে কেউ জানেনা।

যে সমাজের পরতে পরতে আজ উচ্চাভিলাষী স্বপ্নের আনাগোনা
সে সমাজে আজও অপ্রমাণীত আছে মানুষ আসলে মানুষ কিনা
মানুষ অমানুষ একই মুখোশে বসত তাই মানুষ চেনা যায়না।

এসমাজে এখন দিনের আলোতে একা হাঁটার সাহস পাইনা ;
অজানা আতংকেই আঁতকে থাকে প্রিয় ভাই, বোন বাবা, মা,
আর প্রিয়তমা স্ত্রী সেও ভাত নিয়ে বসে থাকে অথচ খায়না।

অধুনা আষাঢ়

আব্দুল মান্নান মল্লিক

সুপ্তি ভাঙা প্রথম দেখা রবির বেজায় রোষ,
মাটি পুড়ে তপ্ত তামা পিপাসায় আনারস।
ঝনঝন বাজে গাছের ডাব একি হল হায়,
আষাঢ় নাকি চৈত্র মাস বুঝা ভীষণ দায়।
নাইরে বৃষ্টি শীতল হাওয়া অশ্রু শুকাই চোখে,
তপ্ত বাতাস স্বস্তি নাইরে ঘর্ম শুকাই ত্বকে।
মাটির ভিতর অঙ্কুর মরে পদ্ম শালুক খালে,
জলাশয় নামটি শুধু জল নাই খালবিলে।
চিড় ধরেছে চাষের জমি গাছের পাতা ধূসর,
চাষি কাঁদে জমির আলে চাতক দেশান্তর।
গগন চেয়ে দিন গুনে যায় তেষ্টায় যায় প্রাণ,
বৃথাই আশা কান্নাকাটি বিফল অভিমান।
ভুলে গেছে মেঘদেবতা আষাঢ় মাসের কথা,
হারিয়ে গেছে প্রকৃতির সেই চিরাচরিত প্রথা।

Social

{facebook#https://facebook.com}

যোগাযোগের ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget