নভেম্বর 2018

মার্ক টোয়েনের একটা কথা মনে পড়ছে; তিনি বলেছিলেন-

"রাগের সময় পারলে তোমার প্রিয় কোনো বইএর কয়েকটা পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ফেলো।ছেঁড়ার পরপরই মনে হবে হায়,হায় আমি কি করলাম,কি করলাম।তখন রাগ হতাশার নিচে চাপা পড়ে যাবে। সেই সাথে আপনার রাগও কমে যাবে।"

 

সাইকোলজী বলে রাগী মেজাজী মানুষগুলো অনেকটা দৃঢ়চেতা স্বভাবের হয়ে থাকে।আবার এদের মন ভালো হয়।মানুষের অন্যান্য সকল অনুভূতির মত রাগও একটা গুরুত্ত্বপূর্ণ আবেগ।রাগের সময় যতটা সম্ভব নিজেকে শান্ত রাখা যেতে পারে।প্রিয়জন রাগ করলে আপাতত তাকে নিশ্চুপে স্যরি বলুন।মাথায় হাত বুলিয়ে দিন।কিছুটা সময় তাকে একটু গুরুত্ত্ব দিন।প্রশংসা করুন,ভালোবাসা উজাড় করে দিন তাকে।নিজ প্রিয়জনের মুখে প্রশংসা আর ভালোবাসা যেকোনো মানুষের রাগ কমিতে দিতে বাধ্য।

আবার, একবার দার্শনিক সাহেবকে একজন লোক খুব অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করল।কিন্তু ওনি প্রত্তুত্তরে টু শব্দও করলেন না।

কিছুক্ষন পর অন্য এক ভদ্রলোক এসে তাকে জিজ্ঞেস করল;"কি ব্যাপার,ওনি আপনাকে এতো বিশ্রী ভাষায় গালিগালাজ করল অথচ আপনি তাকে কিছুই বললেন না কেনো??"

 

এরিস্টটল জবাব দিলো; মনে কর আমি তোমাকে দুটো পয়সা দিলাম কিন্তু তুমি তা গ্রহণ করলে না,তাহলে পয়সা দুটো কার কাছে থাকবে?

 

আমিও সামলে নিয়েছি নিজেকে, তবে সাবধান থাকিস। আর হ্যাঁ,ভাল থাক।

আসুন আরও একবার ঘন হইয়া বসিয়া এই উষ্ণ বঙ্গীয় সমতট অঞ্চলের পাললিক অববাহিকার সুন্দরী ললনাদের লইয়া একখানা জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করিয়া লই:

 

এই বঙ্গীয় মুল্লুকে সুন্দরীদের কোনো প্রকার কমতি নাহি এই যেমন ধরুন আগুন সুন্দরী,ভয়াবহ সুন্দরী,ডানা কাটা পরী, অপ্সরা নানা রকম সুন্দরীদের আনাগোনা আমাদের চারপাশেই বিরাজমান রহিয়াছে।

 

কিছু সুন্দরী দেখিবেন তাহারা যে সুন্দরী ইহা যদি আপনি প্রকাশ্য দিবালকের ন্যায় তাহার সম্মুখে বারংবার না বলিয়া থাকেন তো তিনি আপনার আপন খালাতো বোন হইলেও আপনার সহিত তিনি খুব একটা বাক্যলাপ করিবেন না।

 

আরেক পদের সুন্দরী খুঁজিয়া পাইয়াছি যাহারা আবার বেশ কূটনৈতিক কায়দায় তাহারা যে সুন্দরী তাহা প্রকাশ করিয়া থাকেন। কূটনীতিকরা যেমন করিয়া ধরি মাছ না ছুঁই পানি এই রকম করিয়া বক্তব্য দিয়া থাকেন তেমনি করিয়া ওই সুন্দরীরাও তাহারা যে সুন্দরী ইহা আপনি তাহার সম্মুখে বলিলে তিনি উত্তরে বলিবেন,কি যে বলেন ভাইয়া।

 

আরেক প্রকার সুন্দরী রহিয়াছেন যাহাদের আপনি আগুন সুন্দরী বলিয়া আখ্যা দিয়া দিতে পাড়িবেন। ইহারা গণ পরিবহনের প্রথম দিককার আসনগুলা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথার ন্যায় ভোগ দখল করিয়া পায়ের উপর পা তুলিয়া চোখে কালো সানগ্লাস লাগাইয়া বসিবেন। তাহার পাশে কোন যাত্রী বসিলে তাহার শরীরের সহিত তাহার যাতে কোনো প্রকার স্পর্শ কেন টোকাও লাগে না এইরূপ করিয়া বসিবেন। ইহারা ভাবিয়া থাকেন বাসের অন্য সকল যাত্রী তাহার দিকে তীর্থের কাকের ন্যায় তাকাইয়া থাকেন। ইহাদের সহিত বাসের হেলপার কিংবা কন্ডাক্টরের বেশ সখ্যতা দেখিবেন। হেলপার আমাকে আপনাকে সিট খালি,রড খালি বলিয়া মুরগি যেইরূপ খাঁচায় ভরা হইয়া থাকে এইরূপ করিয়া তুলিবেন আর এই সকল আগুন সুন্দরীদের তাহারা আপা বলিয়া সম্বোধন করিয়া বাস থামাইয়া তুলিবেন এবং তাহার জন্য অন্য কোন এক পুরুষ যাত্রীকে আসন হইতে উঠাইয়া দিয়া তাহাকে বসাইয়া দিবেন এবং নামিবার সময় গলা সপ্ত আসমানে উঠাইয়া ড্রাইভারকে বলিবেন ওস্তাদ আপা নামিবেন গাড়ি স্লো করিয়া দিবেন। আর আমাদিগনের নামার সময় হইলে পাড়িলেতো একশো মাইল গতি থাকিবা সত্ত্বেও বাস হইতে ছুরিয়া ফেলিয়া নামাইয়া দিয়া থাকেন। এমনকি আগুন সুন্দরী যদি একখানা একহাজার টাকার নোট মাত্র দশ টাকা ভাড়ার জন্যও প্রদান করিয়া থাকেন তো তাহাও হাসি মুখে তাহাকে টাকা ভাঙাইয়া ভাড়া লইবেন। আর আমি আপনি একশো টাকার নোট দিলেও বলিবেন খুচরা টাকা লইয়া বাসে উঠিতে পারেন না।

 

আরেক প্রকার সুন্দরীর দেখা পাইবেন আপিসে। উহারা প্রতি ত্রিশ মিনিটে দুই বার ওয়াস রুমে যাইবেন তাহাদের চুল ঠিক করিবার জন্য নচেৎ তাহার ঠোঁটের লিপিস্টিক ঠিক করিবার জন্য। অথচ আমি আপনি আপিসে ঢুকিয়া সকালে যে আসিবার পূর্বে ওয়াশ রুমে যাইয়া পেট খালি করিবার সময় পাই নাহি তাহা যে এখন পেটের মধ্যে মোচড় মাড়িতেছে ঘন ঘন তাহা সত্যেও গত চার ঘন্টায় একবারের জন্যেও ওয়াশ রুমে যাইতে পাড়িবেন না। বৎসর শেষে দেখিবেন আমি আপনি কলুর বলদ পদন্নোতি না পাইলেও তাহারা সুপারসনিক জেট বিমানের ন্যায় পদোন্নতি পাইয়া গিয়াছেন। আরোও কষ্টের বিষয় হইলো পরেরদিন যখন দেখিবেন তিনি রিলিফের মালের ন্যায় রসগোল্লা বিতরণ করিতেছেন সকলকে তাহার পদোন্নতির জন্য তখন রসগোল্লার রস আপনার নিকট হেমলক নামক বিষের ন্যায় লাগিবে। কিছুক্ষণ পর ওই সুন্দরী আসিয়া বলিবেন যদু ভাই রসগোল্লা কেমন লাগিল। আপনি রাগ সংবরণ করিয়া মনে মনে বলিবেন ধরণী তুমি ফাক হও আমি জীবন্ত ইহার মধ্যে ঢুকিয়া মরিয়া যাইবো।

 

বিদ্র: সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ এই লিখাকে কেহ নারী বিদ্বেষী লিখা ভাবিয়া ভুল করিবেন না।

পাশের ফ্ল্যাটে সমবয়সী সুন্দরী মেয়ে থাকলেই সমস্যা।যেকোন সময় বিপদ ঘটতে পারে। এতদিন চুপ করে ছিলাম,আজকে খুবই বিগড়ে গিয়েছি।

ঘটনাটা বছর দুই আগের। তখন আপুর বাসায় থেকে পড়তাম।

আপুদের সাথে পাশের ফ্ল্যাটে ওঠা সকলের সাথে গভীর ভাব হয়ে যায়। আমি আবার ভাব জমাতে ওত এক্সপার্ট নয়।তাছাড়া এসব ব্যাপারে আমার ইন্টারেস্টও নেই।শুধু পাশের বাসার আন্টি আপুদের বাসায় আসলে যদি আমার চোখের সামনে পড়ে,তবেই একটা দায়সারা সালাম দিই। ব্যাস,এটুকুই।আর এ বাসা থেকে ও বাসা সবার যাতায়াত নিয়মিত থাকলেও আমার সীমানা ছিল শুধুমাত্র আমার রিডিং রুমের চার দেওয়ালের মাঝে।

 

বাসায় ওঠার কদিন পর পাশের আন্টি একদিন আন্টি আপুদের বাসায় এসে ডেকোরেশান দেখছিলেন। আমি তখন দরজা বন্ধ করে পড়ার টেবিলে বই উল্টাচ্ছিলাম।এমন সময় আমার দরজা ঠেলে রুমে ওনার প্রবেশ।ঘাড় ঘুরিয়ে সালাম দিতে গিয়েই চোখে পড়ল মেয়েটাকে। দেখলাম সে ও আমার দিকে তাকিয়ে।অবাক হয়ে এক মুহূর্ত চেয়ে রইলাম।তারপর চোখ নিচে নামালাম টেনে।মেয়েটার রূপের বর্ণনা দেওয়ার মতো শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না,বর্ণনা দিয়েও বোঝাতে পারবো না,শুধু বলি,মেয়েটাকে একপলক দেখেই চোখ যে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল,আর সেদিন ঘুমানোর জন্যও চোখ বন্ধ করতে পারিনি।

 

পরদিন আপুর কাছে বিস্তারিত জানলাম,পাশের ফ্ল্যাটের বড় মেয়ে,মেয়েটা আমার ক্লাসেই পড়ে,লেখাপড়ায়ও খুব ভাল।শুনে খুশি হলাম।তবে ঐরকম চিন্তা ভাবনা ভুলেও করিনি একবারের জন্যও।

 

বন্ধুত্ব করার শখ আমার নেই।মোটেও নেই।গাছের সুন্দর ফুল দেখে সকলেই অভিভুত হয়,তাই বলে যে সকলেই ফুলটাকে ছিড়তে চায়,এমনটা কিন্তু নয়।আমিও তেমনই একজন,সুন্দরের পূজারী,তবে গ্রাসী নয়।

 

তাকে মাঝেমাঝেই দেখি। কলেজ যাওয়ার পথে,সিঁড়িতে উঠতে নামতে,মাঝেমাঝে আমাদের বাসায় আসলেও।তবে কথা হয়না।ভুল বশত দুজনের চোখে চোখ দুএকবার পড়লেও হাই হ্যালো বিন্দুমাত্রও নেই। গম্ভীর ভাব থাকে সবসময় দুজনের।সেদিন বিকেলে কলেজ থেকে যখন ফিরছিলাম,বাসার একেবারেই কাছাকাছি,তখনই হঠাৎ কথুকে একটা হাত এসে খপ করে ধরে ফেলল আমার হাতটাকে।চমকে উঠলাম।মুখের দিকে তাকাতে না তাকাতেই সেই পাশের ফ্ল্যাটের সেই মেয়েটা জোর গলায় বলে উঠল," আলামিন,এসেছে এখন?কতক্ষণ অপেক্ষা করছি,চলো চলো।"

 

কিছুই বুঝলাম না,মেয়েটা আমার হাত ধরে দ্রুত গতিতে আমাকে টানতে টানতে তিনতলায় বাসায় উঠে গেল।তারপর আমার হাতটা ঝামাড় দিয়ে নিজের ফ্লাটের দরজা ঠেলে ঢুকে পড়ল তাড়াহুড়ো করে।আমি নির্বোধ বাচ্চাদের মতো কিছু না বুঝেই আমার

ঘরে ঢুকে গেলাম।কাউকে কিছু বললামও না।সেদিন রাতেই দেখি ম্যাসেঞ্জারে নিউ ম্যাসেজ রিকুয়েস্ট দিয়ে দিয়ে লেখা,"অনেক ধন্যবাদ।কিছু বখাটে পিছু নিয়েছিল,তাই অভিনয়টা করতে হয়েছে।প্লিজ কিছু মনে করবেন না। ইতি-পাশের ফ্ল্যাটের আলপনা।"

 

আমি অবাক হলাম।সব বুঝলামও।মনেমনে কেন জানি একটু হাসলাম।এই হচ্ছে প্রাথমিক ধাপ।এরপর আবার সব স্বাভাবিক আগের মতোই হয়ে গেল আবার,তবে দেখা হলে ভুল বশত চোখে চোখ পড়ার সংখ্যাটা আগের চেয়ে একটু বড় হলো মনে হয়েছিল।

 

আরেকদিন কী হলো?আন্টি আমার কাছে এসে আমার বাংলা বইটা ধার নিয়ে গেল এই বলে যে, আলপনা বইটা হারিয়ে ফেলেছে।হুম,হারাতেই পারে।অস্বাভাবিক না।দিয়ে দিলাম বইটা।কিন্তু অস্বাভাবিক মনে হয়েছিল তখন,যখন বইটা ফেরত পেয়ে তার সূচিপত্রে চোখ পড়তেই দেখলাম বড় নীল রঙের আর্ট করা লিখা,"আলপনা নামের মেয়েরা সবসময় খুব ভাল হয়।"এটা চোখে পড়ামাত্রই বিস্মিত হলাম।আমি আমার বইতে অপ্রয়োজনীয় একটা দাগও কাটিনা,আর সে এটা কী করল।রাগ হয়েছিল একটু,তবুও কাউকে কিছু বলিনি,অবাক হয়ে ছিলাম অনেকক্ষণ।

 

এর কয়েকদিন পর ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম এমনিতেই,"আমি আমার আমিত্বে সদা বিশ্বাসী।তাই অবসর খুঁজে ফিরিনা।তবুও বলছি,যদি গল্প করতে চাও,তবে হাতে হাত রাখো;চোখে চোখ নয়।" স্ট্যাটাসটা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ফেসবুকে চোখে পড়ল আলপনার একটা স্ট্যাটাস,"যারা চোখ বেঁধে রাখতে চায়,তাদের চোখ তুলে ফেলা উচিৎ।তবেই বুঝবে,চোখ দিয়ে না দেখলে স্পর্শ অর্থহীন।" কথাটা আমার মনকে যেন একটা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ফুটো করে দিল মনে হয়েছে।প্রথমে ভেবেছি,এটা ডিরেক্টলি আমাকে অপমান।এর পরপরই কোন রিঅ্যাক্ট না করে ভাবনাকে গভীরে নিয়ে দেখলাম,কথাটাতে অপমান নয়,কোন গভীর অর্থ আছে মনে হচ্ছে।কিছুক্ষণ ভেবে একটু খুশি মনেই হাসি উঠলাম আপনমতো।যাইহোক তবুও কাউকে কিছু বলিনি।

 

এরপর থেকে একটা কাজ করার সিদ্ধান্ত নিলাম নিজে নিজে।চোখ আর উপরে তুলব না।কখনোই না,যত হাজারবারই সে আমাদের বাসায় আসুক না কেন,যেখানেই যা হোক,চোখে চোখ রাখবই না।প্রয়োজনে আমি চোখ উপরে তুলে একপলক দেখব,তবুও দু'মুখী শুভদৃষ্টি আর করব না।এবং করলামও তাই।এরপর সে যখনই যেখানে আমার সামনে পড়ে,আমাদের বাসায় হোক,বাইরে হোক,আমার চোখ সবসময় নিচের দিকে ফিক্সড।

 

আমি কিন্তু চলমান বিষয়গুলো বেশ ভালোই এনজয় করছিলাম।কিন্তু সেটা বড় কথা নয়,বড় কথা হচ্ছে মেয়েটা কী ভাবছে।এমনটা যখন চিন্তা করছিলাম,সে সময়ই ফেসবুকে ঐ রূপবতী মায়াপরীর একটা লিখা সামনে আসল,"মানুষ আসলেই খুব খারাপ।কল্পনারও বাইরে।" আচমকা দেখেই আমি শিহরিত হলাম।কথাটা কি আমার জন্য ছিল?ভাবলাম একটু।আমাকে এত জঘন্য একটা কথা বললেও আমার কিন্তু বেশ ভাল লেগেছিল।আমি আমার নীতিতে আরও জোর দিলাম।চোখে চোখ রাখা তো বন্ধই,এবার আমার রুম থেকেই বিনা প্রয়োজনে বের হওয়া বন্ধ করে দিলাম,যাতে আমাদের বাসায় আসলেও আমাকে আর না দেখতে পায়।তবুও মাঝেমাঝে হঠাৎ হঠাৎ কলেজ পথে,কিংবা এখানে ওখানে সামনাসামনি পড়ে যায়।তখন আরো ভাব নেওয়া শুরু করলাম।গভীর ভাব।কোন কথা না,একদম স্ট্রীক্ট।

 

এইভাবে দু একদিন যাওয়ার পর সে হঠাৎই একদিন আমাকে ফেসবুকে ম্যাসেজ দিলো। বলে রাখি এটা ছিল তার সেকেন্ড ম্যাসেজ। তাকে বখাটেদের হাত থেকে বাঁচানোর পর ধন্যবাদ জানিয়ে ঐ ম্যাসেজটার পর আর কোন কথা হয়নি আমাদের। ম্যাসেজটা পড়ে দেখলাম,"হাই!কেমন আছেন?

পড়াশোনা কেমন চলছে?" মানে কী বলব বুঝতে পারছি না,জানেন?

 

ম্যাসেজটা পড়ে বারবার নিজের কাছে এটা মনে হচ্ছিল আমি যে নিজেকে এতো কন্ট্রোল করে চলাফেরা করি,এসব সে জানেও না,আমাকে নিয়ে তার কোন ভাবনাই নেই,সে আমাকে পাত্তাই দেয় না,দৃষ্টিও দেয় না।মনে হচ্ছিল সে জাস্ট স্বাভাবিকভাবেই আমার খোঁজ নিচ্ছে।আমি তো রেগে আগুন।সবই কি তাহলে আমার মনের মিথ্যা ধারণা?একটু চিন্তিত হলাম।ম্যাসেজটা seen করে ইচ্ছা করেই রিপ্লাই না দিয়ে রেখে দিলাম।

 

এরপরের দু একদিন আরো অফ মোডে ছিলাম।অহংকারী ভাব নিয়ে।তবে দু একবার তাকে দেখে মনে হয়েছিল তার মন ভীষণ খারাপ।খুবই খারাপ।জানিনা আমার মিথ্যা কল্পনা কিনা,সে যেন আমার থেকে কিছু একটার গভীর দাবিদার।

 

তবুও আমি কী করলাম? আমি ফেসবুকে আবার একটা স্ট্যাটাস দিলাম,"দূরে থাকো,ভাল থাকবে।

অতি ঘনিষ্ঠ হলেই মনোমালিন্য বাড়বে। বাড়বেই,এটাই নিয়ম। Just Love YOURSELF।"

 

এরপর দিন। শুক্রবার সকালে। আপু-ভাই,দুজনেই বাইরে গেছে কোন একটা কাজে।আমি পড়ার টেবিলে বসে বসে ভাবছি একটা কথা,আমার কি এটা ঠিক হচ্ছে? এমনসময়ই কলিংবেল বেজে উঠল ক্রিংক্রিং শব্দে।উঠে গিয়ে দরজা খুললাম।দেখলাম আলপনা দাঁড়িয়ে আছে।সম্ভবত একটা তরকারির বাটি হাতে।আমার দিকে না তাকিয়েই সোজা ঘরে ঢুকে পড়ল।আমিও পেছন পেছন হাঁটা শুরু করে বললাম,"আপু-দুলাভাই কেউ বাসায় নেই,বাসায় শুধু আমি।"কোন জবাব নেই। সে ভেতরের দিকেই এগুচ্ছে। আবার বললাম,"বাসায় কেউ নেই তো। শুধু আমি।"

 

কথা শুনল না।সোজা ভিতরের দিকে আপুর রুমে গিয়ে দাঁড়ালো। আমিও পেছন ছুটে হাজির হলাম সেখানে।এরপর আলপনা আমার দিকে তাকালো রাগি চোখে। আমি তার অপূর্ব সুন্দর মুখটার দিকে একবার তাকিয়ে চোখ নিচে নামালাম।

 

হঠাৎ আলপনা তার হাত দিয়ে আমার নিচু মুখটা তার চোখ বরাবর তুলে রাগী কণ্ঠে বলল,"এখন যদি চিৎকার দিয়ে বাঁচাও বাঁচাও করি?

যদি চিৎকার দিয়ে বলি আমাকে শেষ করে দিচ্ছে,কে কোথায় আছ???" আমি থ!পাথর হয়ে গেছি কথা শুনে।ভয়ও পেলাম একটু।ভীরু কণ্ঠে জোর দিয়ে বললাম,"মানে!কী বলছেন এইসব?" "আপনি এক্ষুণি আমার চোখে চোখ রাখবেন।তারপর দুহাত দিয়ে আমার দুগালে হাত বুলিয়ে বলবেন আমি তোমাকে ভালবাসি,চোখে চোখ রেখে বললাম।তুমি প্লিজ কাছে এসো,দূরে যেও না।" আমি তো অবাক।এটা কী বলে!বললাম,"আপনার শরীর ঠিক আছে তো?" "আপনি কথাগুলো বলবেন নাকি আমি চেঁচাবো?" গেলাম আরো ভয় পেয়ে।

বিরক্ত ভীত কণ্ঠে বলালাম,"এসব কী?

এসব কিন্তু ভাল না।সরুন,পথ ছাড়ুন।" "আপনি বলবেন কিনা?

আমি কিন্তু সত্যিই চেঁচাবো এবার!" আমি তো নার্ভাস হয়ে গেছি। তার মুখে যদিও মিটিমিটি হাসি ছিল,তবুও রাগটাও বেশি ছিল।যদি আসলেই চেঁচায়?তাহলে তো মান ইজ্জত সব শেষ।আমি কাঁপতে শুরু করলাম।উপায় নেই।বলতেই হবে।কম্পিত গলায় বলতে শুরু করলাম,"আমি আপনাকে.....।"

" না এভাবে না।আপনার দুহাত আমার মুখের ওপর রাখুন,চোখ আমার চোখে রাখুন।" ভীত কণ্ঠে বললাম,"এটা কিন্তু আমাকে ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছে!" "আপনি শুরু করবেন নাকি আমি চেঁচাবো?" আর কি!আমি অসহায়।মনেমনে ভাবলাম,"এটা বুঝি ভালবাসা?এটা তো সন্ত্রাসী হামলার শামিল।" কিছুই করার নেই।অগত্যা আমার দুই হাত তার নরম তুলতুলে মুখে জড়িয়ে,চোখগুলো তার চোখে রেখে একদৃষ্টেতে তোতলাতে তোতলাতে বলতে লাগলাম,

 

"আমি তো আপনাকে প্রথম দেখাতেই ভালবেসে ফেলেছিলাম। কিন্তু...আজকে আপনি আমার মতো একটা নিরীহ,বাচ্চা ছেলেকে যেভাবে ব্ল্যাকমেলটা করলেন,এটার বিচার একমাত্র আল্লাহই করবেন। আর আপনার মুখটা এত তুলতুলে,নরম কেন? ছাড়তে ইচ্ছে করছেনা।"

 

তার পরের দিন ই বাড়ি চলে আসি।

 

কথাগুলো লিখে রেখেছিলাম গতবৎসরই। তবে আজ তার বিয়ে হয়ে গেল, এবং আজও ফোন দিয়েছিল তাই কথাগুলো পাবলিক কররলাম।

"বাবা আমার নতুন জুতা লাগবে।

- কেন?

- নতুন স্কুলে যাবো, নতুন জুতা লাগবে। আর আমার এই জুতাটাও ছিঁড়ে গেছে।

- আরে বেটা, যেইটা আছে এইটা সেলাই করে নে।

- এটা তো অনেক আগের জুতা৷ কয়েকবার সেলাইও করেছি।

- তো কি হয়েছে? আমার পায়ের'টা দেখ। দুই বছর ধরে পরছি। অনেকবার সেলাই করছি।

- বাবা, তুমি বুঝ না। নতুন স্কুলে যাবো নতুন জুতা লাগবে না বলো।

- না লাগবে না। আমরা যখন স্কুলে যেতাম, তখন খালি পায়ে স্কুলে যেতাম।

- আর আমার প্যান্টের চেইনও ছেঁড়া।

- নিচে আরেকটা শর্ট প্যান্ট পরে নে, আর চেইনের জায়গায় সেফটিপিন লাগিয়ে নে।

- তুমি যদি আমাকে নতুন প্যান্ট আর জুতা কিনে না দাও, তাহলে আমি আর কাল থেকে স্কুলে যাবো না।

বলেই রাগ করে ঘর থেকে বের হয়ে গেলাম।

 

তখন ২০১০ সালের কথা,সদ্য ক্লাস সিক্সে ভর্তি হলাম।

ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত হাফপ্যান্ট পরে স্কুলে যেতাম। বেশীর ভাগ দিন রাস্তা দিয়ে খালি পায়ে হেঁটে স্কুলে যেতাম, স্কুলে গিয়ে তারপর জুতা পরতাম । যদি জুতা ছিঁড়ে যায় এই ভয়ে জুতা পায়ে দিতাম না।

ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত, যাদের সাথে লেখাপড়া করেছি। তাঁরা ছোটবেলার বন্ধু। তাই হাফপ্যান্ট পরে গেলেও কোনো সমস্যা হতো না।

 

কিন্তু ক্লাস সিক্স! নতুন স্কুল! নতুন বন্ধু বান্ধব! লজ্জা শরমের একটা ব্যাপারও আছে বটে। আর সবচে বড় কথা হলো হাই স্কুলে ফুলপ্যান্ট পরা বাধ্যতামূলক।

আমার মাত্র একটাই ফুলপ্যান্ট ছিলো।

কোনো আত্মীয়বাড়িতে যাওয়ার জন্য।

বছর দুইয়েক পরার পর এটার চেইন নষ্ট হয়ে যায়।

সেদিনও যখন হাই স্কুলে ভর্তি হতে যাই, সেদিনও সেফটিপিন ব্যবহার করে গেছি।

 

বাবা যখন নতুন জুতা কিনে দিতেন, তখন বিকাল বেলা জুতা পায়ে দিয়ে রাস্তায় হাঁটতাম। বন্ধুবান্ধবদের দেখানোর জন্য, যে বাবা আমাকে নতুন জুতা কিনে দিয়েছেন।

প্রতিদিন কম করে হলেও দুইবার জুতাগুলোকে সাবান মাখিয়ে ধুয়ে রোদে শুকাতে দিতাম।

জুতার দাম বেশী ছিল না, মাত্র ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

কিন্তু ঐ জুতাগুলো পরে যতটা আনন্দ পেতাম।

আজ ১ থেকে ২ হাজার টাকা দামের জুতা পরেও সেই আনন্দ পাইনা।

 

সেদিন রাগ করে বাড়ি থেকে চলে আসি, সারাদিনে আর বাড়িতে যাইনি।

রাতে যখন বাড়িতে গেলাম। মা আশ্বাস দিলেন, আগামীকাল কাজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাবা বাজার থেকে নতুন জুতা আর প্যান্ট কিনে আনবে।

সেদিন এতটা খুশি হয়েছিলাম যে, লিখে বুঝানো যাবেনা।

 

পরেরদিন সারাদিন আনন্দে আত্মহারা আমি । মুখিয়ে ছিলাম, কখন বাবা আসবে। আমার নতুন জুতা আর প্যান্ট কিনে আনবেন।

এতটাই আনন্দে ছিলাম যে, সারাদিন বাড়ি থেকে বের হইনি।

সেদিন মনে হচ্ছিল সময় যেনো যাচ্ছেনা।

 

অনেক অপেক্ষার পর রাত ৮টায় বাবা ফিরলেন।

বিছানা থেকে লাফ দিয়ে নেমে গিয়ে বাবার হাত থেকে ব্যাগটা আমার হাতে নিয়েছিলাম।

ব্যাগ খুলতেই একজোড়া জুতা, আর একটা জিন্স প্যান্ট।

সেদিন জুতা আর প্যান্ট পেয়ে কি আনন্দ হয়েছিলো। মনে হয়েছিলো পৃথিবীর সকল সুখ যেনো এই জুতা আর প্যান্টের মধ্যে।

 

তাড়াতাড়ি করে জুতা আর প্যান্ট পরি। পরে মায়ের সামনে যাই।

দেখতো মা আমাকে কেমন লাগছে।

সেদিন মা আমাকে দেখে একটা মুচকি হাসি দিলেন।

তারপর ঘর থেকে বের হয়ে, কাকা, কাকি, জ্যাঠু জ্যাঠা, সবাইকে দেখাতে লাগলাম।

তারপর বাবার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, দেখাতে আমাকে কেমন লাগছে?

বললেন, খুব সুন্দর লাগছে।

কিন্তু সেদিন বাবার চোখের কোণে জল দেখেছিলাম।

 

সেদিন বাবা ঘরের চাল না কিনে আমার জন্য জুতা আর প্যান্ট কিনে এনেছিলেন।

আজ বাবা বেঁচে নেই, অনেক ইচ্ছে করে বাবার সাথে বাজারে যাব, বাবা নতুন জামা-কাপড়-জুতো কিনবো!

 

ভাল থাকুক সকল বাবারা।

#ভাল থাকুক ওপারে।😍😍😰😰

কাগজের নৌকা ভাসিয়ে
খেলনা পাতার দিনগুলো পড়ে থাকে-
স্মৃতির অন্ধকার মলাটে
শিরোনাম হয়ে, মুছে যায় স্বপ্নগুলো
ফ্যাকাশে আকাশের মেঘ হয়ে
উড়ে যায় বয়স।

হাত নেড়ে ডাকে মহাকাল,
থেমে থাকা প্রান্তর খুঁজে ছুটে যায়
কৌতূহল, আঙিনায় পড়ে থাকে
কত স্মৃতি!

আধারের বুক চিড়ে অবিরত
জমে হাহাকার-
শুকনো রোদের আর্তনাদে।

ফানুশে ওড়ানো মিথ্যা
জোনাকির ডানায় জ্বলে স্বপ্নের মতো-
অবিশ্বাসে।

এখানে প্রশ্নবিদ্ধ ইশ্বর-
অস্তিত্ব কিংবা আস্থায়,
জমে অন্ধকারের শাপ।

নীরবতা ঘিরে ধরে আমায়,
আমি বাতাসে শব্দের স্পর্শ খুঁজি
আকাশের গাঢ় নীলে-
নিকষিত অনুভবে জাগে অবিতথ।

বাঁশপাতার ঘর

আব্দুল মান্নান মল্লিক

শব্দগুলো হারিয়ে গেছে অশ্রুজলে ভেসে,
ছন্দ যত সুর হারিয়ে ক্রন্দন অবশেষে।
পথের শুরু শৈশবকালের আশা ছিল যত,
সবই মিথ্যা পথের শেষে দুঃখ অবিরত।
শব্দগুলো সাজাতে যেই স্তব্ধ কলম হাতে,
মনে পড়ে তাদের কথা ছিল যারা সাথে ।
সঙ্গীসাথী ছিল যারা কেউবা আছে নাই,
মায়ার বাঁধন ছিন্ন করে অকালে ঝরে যায়।
ভুলের বসে আঁকড়ে ধরা সময় যায় সরে,
মিথ্যা আশায় দিন ফুরাল বাঁশপাতার এই ঘরে।
লিখতে হারায় শব্দমালা কোথায় ছন্দগীতি,
জীবন মরণ রণ ভাবনায় কাটায় দিবস রাতি।
পথপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখি জীবনটাই সব বৃথা,
কথার কথা সবই মিথ্যা চিরাচরিত প্রথা!

পরজন্মের চুক্তি
- স্থিতা রায়

রোজ কত হৃদয়ই না দলিত হয়!
পিষে যায় নির্দয়ে চালকের বুলডোজারে!
এ আর নতুন কি!
কত ফাঁপা শরীর ঘুরে বেড়ায় চারিদিকে!
এ প্রেতপুরীতে আমরা কেউ একা নই!
একদিন শরীর গুলোও যায় মিলিয়ে।
আমি ও যাব, তুমিও যাবে।
আবার যদি ফিরে আসতে হয় এই নকল দুনিয়ায়,
চুক্তি পত্র তৈরি করতে হবে।
ঈশ্বরকে বলবো, আবার জন্মাব।
তবে আছে কিছু শর্ত।
তৈরি করো আগে শর্ত মত জন্মের চুক্তি পত্র।
থাকবে লেখা তাতে অবশ্যই,
"হৃদয় যদি বিনিময় করতেই হয়,
তবে তা যেন থাকে অক্ষত।
আর যদি তেমন না হয়,
হৃদয় নিজ শরীরেরই রাখতে দিও সুরক্ষিত।
স্বার্থান্বেষী ছলনায় যেন না হই আহত,
বিফল করো তার অপ প্রয়াস!
ব্যর্থ প্রয়াসে সে নিজেই হবে ক্ষতবিক্ষত!!"

ছেলেবেলার স্মৃতি
- আকাশ

মনে পড়ে কত কিছু মনে পড়ে আজ
মনে পড়ে ছেলেবেলার সেই কাজ।
মনে পড়ে অল্প অল্প
সকাল বেলার সেই গল্প।
মনে পড়ে সেই দুপুর বেলার কথা
নদী-নালা,খাল-বিলে করেছি কত খেলা।
মনে পড়ে চলে যাওয়া সেই দিন দুটি
আরও মনে পড়ে জীবনের সাথে মিশে থাকা সেই মায়ামর স্মৃতি।
মনে পড়ে সেই বিকেল বেলার কথা
কত সময় নষ্ট করেছি অযথা।
মনে পড়ে সেই সন্ধ্যার কথা
মনে পড়ে জীবনের সেই প্রতিবন্ধকতা।
মনে পড়ে সেই রঙিন চুল
মনে পড়ে জীবনের সেই ছোট ছোট ভূল।
মনে পড়ে জীবনের সেই অবাধ
আরও মনে পড়ে চলে যাওয়া সেই রাত।
মনে পড়ে সেই অশ্রু ভেজা চোখ
মনে পড়ে সেই সপ্ন দেখার ঝোঁক।

মনে পড়ে কত কিছু মনে পড়ে আজ
মনে পড়ে আজ।

তুমি কি আমার বৌদি হবে?
যদি হও, তবে-
তুমি আমার হৃদয়ের লক্ষী,
তুমি আমার হৃদয়ের সরস্বতী,
তুমি আমার হৃদয়ের দূর্গা,
এভাবে সবগুলো দেবীরূপে-
আমার মন মন্দিরে চিরদিন রবে ।
তুমি কি আমার বৌদি হবে?

 

তুমি কি আমার বৌদি হবে?
যদি হও, তবে-
প্রভাতী সূর্য ওঠার কালে,
সিঁদুর পরিয়ে দেবে দাদা তোমার ভালে,
সে আলোয় আলোকিত হবো সারাদিন ।
আবার সন্ধ্যে বেলায়-
তোমার হাতে সান্ধ্য প্রদীপ জ্বালাবো,
সে আলোয় নিশির আঁধার হবে ক্ষীণ ।
এ জীবনে চলার পথে-
সদা আলোকবর্তিকা হয়ে রবে ।
তুমি কি আমার বৌদি হবে?

 

তুমি কি আমার বৌদি হবে?
মা, মাসি চলে গেছে-
একলা একলা ফেলে!
বড়দা ভীষণ ব্যস্ত-
কাজে, টাকা কোথায় মেলে!
আমি বেকার, দু:খে সময় কাটাই –
মাথার উপর ছায়ার মত কেউ নাই, কেউ নাই ।
একলা চলা তপ্ত রোদে-
ছায়া দেয়া বটবৃক্ষ হয়ে রবে,
তুমি কি আমার বৌদি হবে?



বাংলাদেশ বইমেলা ২০১৮

শারদীয় দুর্গা উৎসবের পর আগামী ২ থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত কলকাতার বরীন্দ্রসনদের পশ্চিম প্রান্তে 'মোহরকুঞ্জে' বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির আয়োজনে ৮ম বারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, 'বাংলাদেশ বইমেলা ২০১৮' ।

'বিদ্যাপ্রকাশ' উল্লেখযোগ্য প্রকাশিত বই নিয়ে এ মেলায় অংশগ্রহণ নিশ্চিৎ করেছে ।
স্থানীয় লেখক-প্রকাশক-পাঠকবৃন্দ বিদ্যাপ্রকাশের স্টলে সপরিবার, সবান্ধব আমন্ত্রিত ।

মেলায় আমার লেখা বই তিনটি থাকবে।

(মেলায় বিদ্যাপ্রকাশের স্টল পরিচালনার সার্বিক দায়িত্বে থাকবেন, মি. ডি.কে. ব্যানার্জী । সেল : 983-163-5819)

- ডাঃ ফারহানা মোবিন

Social

{facebook#https://facebook.com}

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget